Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.
Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.
Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.
Please briefly explain why you feel this answer should be reported.
Is it Haram to draw such type of caricature or human portrait?
Intisher
insha'Allah this short clip will clear your confusion, may Allah SWT guide you. https://youtu.be/O6lNTnHiZ-s
insha’Allah this short clip will clear your confusion, may Allah SWT guide you.
See lessনামাজে দোয়া মাসুরা না পড়লে নামাজ হবে?
নামাজের মাঝে ও দুয়ায়ে মাসূরা পড়া সুন্নত। নামাজের সুন্নাতে মুয়াক্কাদা হল এমন কার্যাবলি যা ছাড়লে নামাজ বাতিল হয়না কিন্তু বিনা কারনে ছাড়লে নামাজ মাকরুহ হয়। কারন বষত ছাড়া যায়। ফরজ নামাজ হোক, আর সুন্নত বা নফল হোক দুয়ায়ে মাসূরা ছেড়ে দিলে নামাজ হবে। কিন্তু প্রয়োজন ছাড়া ইচ্ছেকৃত ছেড়ে দিলে গোনাহ হবে।Read more
নামাজের মাঝে ও দুয়ায়ে মাসূরা পড়া সুন্নত। নামাজের সুন্নাতে মুয়াক্কাদা হল এমন কার্যাবলি যা ছাড়লে নামাজ বাতিল হয়না কিন্তু বিনা কারনে ছাড়লে নামাজ মাকরুহ হয়। কারন বষত ছাড়া যায়।
ফরজ নামাজ হোক, আর সুন্নত বা নফল হোক দুয়ায়ে মাসূরা ছেড়ে দিলে নামাজ হবে। কিন্তু প্রয়োজন ছাড়া ইচ্ছেকৃত ছেড়ে দিলে গোনাহ হবে।
আর এভাবে ছেড়ে দেবার অভ্যাস করা মারাত্মক গোনাহ। যা হারামের কাছাকাছি। এর ফলে নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুপারিশ না পাওয়ার আশংকা রয়েছে।
তাই যেকোন নামাজেই দরূদ ও দুয়ায়ে মাসুরা ছেড়ে দেবার অভ্যাস পরিত্যাগ করা বাঞ্ছনীয়।
আর নামাজের সুন্নাতে মুয়াক্কাদা ১২ টি।
১। দুই হাত উঠানো। ২। দুই হাত বাঁধা। ৩। সানাপাড়া। ৪। আউযুবিল্লাহ পড়া। ৫। বিসমিল্লাহ পড়া। ৬। আলহামদু শেষে আমিন বলা। ৭। প্রত্যেক ওঠা বাসায় আল্লাহু আকবার বলা। ৮। রুকুর তাসবিহ পড়া। ৯। রুকু হইতে উঠিবার সময়ে সামিআল্লাহু লিমান হামিদা রাব্বানা লাকাল হামদ বলা। ১০। সিজদার তাসবিহ পড়া ১১। দুরুদ শরীফ পড়া। ১২। দোয়ায়ে মাসুরা পড়া।
See lessনামাজে রুকু এবং শেষ বৈঠকের সময় দৃষ্টি কোথায় থাকবে?
নামাজের আদব হলো, দাঁড়ানো অবস্থায় সিজদার জায়গায় দৃষ্টি রাখা, যাতে পূর্ণ একাগ্রতা সৃষ্টি হয়। ডানে-বাঁয়ে দৃষ্টি না যায়। এটি সুন্নত। তবে কোনোভাবে দৃষ্টি চলে গেলে নামাজ ভঙ্গ হবে না। (আদদুররুল মুখতার : ১/৪৪৭) নামাজরত মুক্তাদির জন্য ইমাম সাহেবের দিকে তাকিয়ে থাকা সুন্নতবহির্ভূত কাজ। সিজদায় পা রাখার সুন্নত পRead more
নামাজের আদব হলো, দাঁড়ানো অবস্থায় সিজদার জায়গায় দৃষ্টি রাখা, যাতে পূর্ণ একাগ্রতা সৃষ্টি হয়। ডানে-বাঁয়ে দৃষ্টি না যায়। এটি সুন্নত।
তবে কোনোভাবে দৃষ্টি চলে গেলে নামাজ ভঙ্গ হবে না।
(আদদুররুল মুখতার : ১/৪৪৭)
নামাজরত মুক্তাদির জন্য ইমাম সাহেবের দিকে তাকিয়ে থাকা সুন্নতবহির্ভূত কাজ।
সিজদায় পা রাখার সুন্নত পদ্ধতি হলো, পা খাড়া রেখে আঙুলগুলো কিবলামুখী রাখা। এর বিপরীত হলে নামাজ ভাঙবে না। (ফাতাওয়া ফকিহুল মিল্লাত : ৩/২৮৫, ফাতাওয়া শামি : ১/৪৯৩)
মূল বিষয় হলো, নামাজে এদিক-সেদিক না তাকানো। কেননা এটি নামাজে মনোযোগ ও একাগ্রতা রক্ষা করার জন্য অত্যন্ত শক্তিশালী হাতিয়ার। হাদিস শরিফে এসেছে, আয়েশা (রা.) বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ (সা.)-কে জিজ্ঞেস করেছি, নামাজে এদিক-সেদিক তাকানোর ব্যাপারে আপনি কী বলেন? জবাবে তিনি বলেছেন, এটি হলো শয়তানের ছোঁ মারা, যা দ্বারা শয়তান আল্লাহর বান্দাদের নামাজ থেকে গাফিল ও উদাসীন করে ফেলে। (বুখারি, হাদিস : ৭১৮)
প্রশ্ন হলো, নামাজে এদিক-সেদিক না তাকানোর পদ্ধতি কী হবে—এ বিষয়ে মুজতাহিদ ইমামরা একাধিক অভিমত দিয়েছেন। ইমাম আবু হানিফা (রহ.) বলেছেন, নামাজের সময় দাঁড়ানো অবস্থায় দৃষ্টি সিজদার দিকে থাকবে, রুকু অবস্থায় থাকবে দুই পায়ের মাঝখানে, বসা অবস্থায় থাকবে কোলের দিকে, সিজদা অবস্থায় থাকবে নাকের দিকে। (কিতাবুল মাবসুত : ১/২৮)
কেননা দৃষ্টি প্রসারিত করলে মন এদিক-সেদিক চলে যাবে। সংকুচিত করলে নামাজে মনোযোগ আরো ভালো থাকবে। এ জন্য প্রসারিত করার চেয়ে সংকুচিত করা উত্তম।
পক্ষান্তরে কোনো কোনো ইমাম বলেছেন, পুরো নামাজের সময় দৃষ্টি থাকবে সিজদার দিকে। তবে এ মর্মে তাঁরা দলিল হিসেবে যে হাদিসগুলো পেশ করে থাকেন, সেগুলোকে মুহাদ্দিসরা ‘দুর্বল’ বলে অভিহিত করেছেন। যেমন—ইমাম নববি (রহ.) বলেন, এ বিষয়ে (নামাজের সময় দৃষ্টি থাকবে সিজদার দিকে) ইবনে আব্বাস (রা.) কর্তৃক বর্ণিত হাদিস গরিব (বিরল), যা আমার কাছে অপরিচিত।
ইমাম বাইহাকি (রহ.) আনাস (রা.) ও অন্যদের সূত্রে এ বিষয়ে আরো কিছু হাদিস বর্ণনা করেছেন। এর সব কটিই দুর্বল। (আল-মাজমু : ৩/৩১৪)
See lessতারাবি নামাজের ৪ (চার) রাকাতের পর যে দোয়া আছে সেটা যদি কেউ না করে তাহলে কি গুনাহ হবে..?
তারাবীহর নামাজের ৪ রাকাত পরে পরে উক্ত দুআ করা বিদআত।কুরআন,সহীহ হাদীসে এর কোনো রেফারেন্স পাওয়া যায়নি।তাই তারাবীহর দুআর নিয়তে করলে বরঞ্চ গুনাহ হবে।
- তারাবীহর নামাজের ৪ রাকাত পরে পরে উক্ত দুআ করা বিদআত।কুরআন,সহীহ হাদীসে এর কোনো রেফারেন্স পাওয়া যায়নি।তাই তারাবীহর দুআর নিয়তে করলে বরঞ্চ গুনাহ হবে।
See lessকাজ্বা নামাজ কোন ওয়াক্তের জন্য কত রাকাআত আদায় করতে হবে?
নামাজের কাজা আদায়ের কিছু বিষয়ে লক্ষণীয় >> কোনো কারণে নফল নামাজ নষ্ট হলে অথবা শুরু করার পর কোনো কারণে যদি ছেড়ে দিতে হয়, তাহলে তার পরে ‘কাজা’ করাও ওয়াজিব। >> সুন্নতে মুয়াক্কাদা এবং নফল নামাজের কোনো কাজা নেই। তবে ফজরের নামাজ সুন্নত-ফরজ উভয়টা পড়তে না পারলে সুন্নত-ফরজ এক সঙ্গে কাজা করা উত্তম।Read more
নামাজের কাজা আদায়ের কিছু বিষয়ে লক্ষণীয়
>> কোনো কারণে নফল নামাজ নষ্ট হলে অথবা শুরু করার পর কোনো কারণে যদি ছেড়ে দিতে হয়, তাহলে তার পরে ‘কাজা’ করাও ওয়াজিব।
>> সুন্নতে মুয়াক্কাদা এবং নফল নামাজের কোনো কাজা নেই। তবে ফজরের নামাজ সুন্নত-ফরজ উভয়টা পড়তে না পারলে সুন্নত-ফরজ এক সঙ্গে কাজা করা উত্তম। দুপুরের চার রাকাআত সুন্নত পড়তে না পারলে তা ফরজ নামাজ আদায়ের পরও পড়ে নেয়া যায়।
>> জোহরের ফরজ নামাজের পর যে দুই রাকাআত সুন্নাত আছে তা ফরজ নামাজ আদায়ের পর ৪ রাকাআত সুন্নাতে মুয়াক্কাদার আগেও পড়া যায় এবং পরেও পড়া যায়। তবে জোহরের ওয়াক্ত চলে গেলে জোহরের আগের এবং পরে ৪ ও ২ রাকাআত সুন্নাতের কাজা ওয়াজিব হবে না।
>> জুমআ’র নামাজের কাজা নেই; যদি কেউ জুমআ’র নামাজ কোনো কারণে আদায় করতে না পারে তবে জুমার নামাজের পরিবর্তে ঐ ওয়াক্তে সম্ভব হলে জোহরের ৪ রাকাআত নামাজ পড়ে নিবে। আর ওয়াক্ত চলে গেলেও ৪ রাকাআত জোহর আদায় করবে।
See lessসাহরীর শেষ সময়
ফজরের সময় থেকে দশ মিনিট আগে খাওয়া বন্ধ করার পছন্দনীয় সময় । তাই ফজরের সময় যদি সকাল ৬:০৬ হয়, তাহলে সকাল ৬টা নাগাদ খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত , তবে সেহরী খাওয়ার জন্য অনুমোদিত সময় সকাল ৬:০৬(ফজর) পর্যন্ত প্রসারিত হয়, যে সময়ের পর তা হারাম বলে বিবেচিত হয়। তাই কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন করলে রোজা ভঙ্গRead more
ফজরের সময় থেকে দশ মিনিট আগে খাওয়া বন্ধ করার পছন্দনীয় সময় । তাই ফজরের সময় যদি সকাল ৬:০৬ হয়, তাহলে সকাল ৬টা নাগাদ খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া উচিত , তবে সেহরী খাওয়ার জন্য অনুমোদিত সময় সকাল ৬:০৬(ফজর) পর্যন্ত প্রসারিত হয়, যে সময়ের পর তা হারাম বলে বিবেচিত হয়। তাই কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে এমন করলে রোজা ভঙ্গ বলে গণ্য হবে।
See lessযাকাত সংক্রান্ত প্রশ্ন
নিসাব পরিমাণ টাকা থাকলে যাকাত দিতে হবে। না হলে যাকাত দিতে হবে না।
নিসাব পরিমাণ টাকা থাকলে যাকাত দিতে হবে। না হলে যাকাত দিতে হবে না।
See less