Sign Up

Sign Up to our social questions and Answers Engine to ask questions, answer people’s questions, and connect with other people.

Have an account? Sign In

Have an account? Sign In Now

Sign In

Login to our social questions & Answers Engine to ask questions answer people’s questions & connect with other people.

Sign Up Here

Forgot Password?

Don't have account, Sign Up Here

Forgot Password

Lost your password? Please enter your email address. You will receive a link and will create a new password via email.

Have an account? Sign In Now

Please type your username.

Please type your E-Mail.

Please choose an appropriate title for the question so it can be answered easily.

Please choose the appropriate section so the question can be searched easily.

Please choose suitable Keywords Ex: question, poll.

Browse
Type the description thoroughly and in details.

Choose from here the video type.

Put Video ID here: https://www.youtube.com/watch?v=sdUUx5FdySs Ex: "sdUUx5FdySs".

Please briefly explain why you feel this answer should be reported.

Deen
Sign InSign Up

Deen

Deen Navigation

  • Home
  • About Us
  • Blog
  • Contact Us

Mobile menu

Close
Ask a Question
  • Terms of Use
  • Privacy Policy
  • Cookie Policy
  • Recent Questions
  • Most Answered
  • Bump Question
  • Answers
  • Most Visited
  • Most Voted
  • No Answers
  1. Asked: April 24, 2022In: Hadith

    ফিতরা কি টাকায় নাকি খাদ্য বা পণ্যে দিব?

    Anonymous
    Added an answer on April 24, 2022 at 8:06 pm

    সদকাতুল ফিতর খাদ্যদ্রব্য দিয়ে যেমন আদায় করা যায়, তেমনি টাকা দিয়েও আদায় করা যায়। কারণ অসংখ্য সলফ হাদিসে উল্লিখিত খাদ্যদ্রব্যের পরিবর্তে মুদ্রা বা টাকার মাধ্যমে সদকাতুল ফিতর আদায় করেছেন। নিম্নে তার কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হলো। ১. ইমাম বুখারি (রহ.) তাঁর সহিহ বুখারিতে মুআজ (রা.)-এর বক্তব্য উল্লেখ করেছেন।Read more

    সদকাতুল ফিতর খাদ্যদ্রব্য দিয়ে যেমন আদায় করা যায়, তেমনি টাকা দিয়েও আদায় করা যায়। কারণ অসংখ্য সলফ হাদিসে উল্লিখিত খাদ্যদ্রব্যের পরিবর্তে মুদ্রা বা টাকার মাধ্যমে সদকাতুল ফিতর আদায় করেছেন। নিম্নে তার কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরা হলো।

    ১. ইমাম বুখারি (রহ.) তাঁর সহিহ বুখারিতে মুআজ (রা.)-এর বক্তব্য উল্লেখ করেছেন।

    তিনি ইয়ামেনবাসীকে বলেন, তোমরা সদকার মধ্যে খাদ্যদ্রব্যের পরিবর্তে কাপড় নিয়ে আসো। কেননা এটা তোমাদের জন্য অধিকতর সহজ এবং মদিনার সাহাবিগণের জন্যও অধিক উপযোগী। (বুখারি, হাদিস : ১১৪৭)
    ইমাম আবু হানিফা (রহ.) এই দৃষ্টিকোণ থেকেই বলেছেন, টাকা দিয়ে আদায় করা উত্তম। কারণ এটি মানুষের জন্য সহজ এবং উপকারী।

    আল্লামা ইবনু রাশিদ (রহ.) বলেন, উক্ত মাসআলাটির মাঝে ইমাম বুখারি (রহ.) হানাফিদের সহমত পোষণ করেছেন। (ফাতহুল বারি, ইবনে হাজার : ৩/৩১২)

    ২. জুহাইর (রহ.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবু ইসহাক (রহ.) থেকে শুনেছি তিনি বলেছেন, আমি সাহাবায়ে কেরাম (রা.)-কে এই অবস্থায় পেয়েছি যে তারা রমজানে সদকাতুল ফিতর খাবারের বিনিময়ে টাকা দ্বারা আদায় করতেন। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ১০৪৭২)

    এই হাদিসের সনদ বিশুদ্ধ তথা প্রমাণযোগ্য।

    ৩. হাসান বসরি (রহ.) বলেন, টাকা দ্বারা সাদাকায়ে ফিতর আদায় করাতে কোনো সমস্যা নেই। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ১০৪৭১)

    ৪. এ প্রসঙ্গে ওমর ইবনে আব্দুল আজিজ (রহ.)-এর ঐতিহাসিক একটি চিঠি রয়েছে। তিনি ‘নিসফে সা’ বা এর মূল্য সদকা করার নির্দেশ দেন। (মুসান্নাফ ইবনে আবি শায়বা, হাদিস : ১০৪৭০)

    তা ছাড়া বিখ্যাত ইমাম ইবনে আবি শায়বা তার রচিত কিতাব ইবনে আবি শায়বা-২/৩৯৮-এর মাঝে এভাবে অনুচ্ছেদ স্থাপন করেন যে অর্থাৎ ‘সাদকাতুল ফিতর টাকা দ্বারা আদায় করার (বৈধতা) সম্পর্কে। ’

    ইমাম বায়হাকী (রহ.) তার রচিত কিতাবু সুনানুল কুবরা-৪/১৮৯-এর মাঝে এভাবে অনুচ্ছেদ স্থাপন করেন যে অর্থাৎ ‘এই অনুচ্ছেদ হলো টাকা দ্বারা জাকাত আদায় করা অনুমোদিত। ’

    মোটকথা সালাফদের কর্ম ও বক্তব্য দ্বারা স্পষ্ট যে টাকা দ্বারা সদকাতুল ফিতর আদায় করা যায়; বরং ক্ষেত্রবিশেষ এর মাধ্যমে আদায় করা উত্তম।

    See less
    • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  2. Asked: April 24, 2022In: Basic Islam

    নামাজে ভুল

    Anonymous
    Added an answer on April 24, 2022 at 8:06 pm

    সিজদা সাহু করার সঠিক নিয়ম হচ্ছে - “সালাতে কম বেশি যাই হোক, আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ, দুয়া মাসুরা পড়ে তাকবীর দিয়ে পর পর দুটি সিজদাহ দিয়ে সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করতে হবে।” বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত সালাত অধ্যায় সাহো অনুচ্ছেদ, ১১৮ নাম্বার হাদিস। অথবা, “সালাতে কম বেশি যাই হোক, সালামের ফেরানোর আগে বা পরে দুইটিRead more

    সিজদা সাহু করার সঠিক নিয়ম হচ্ছে – “সালাতে কম বেশি যাই হোক, আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ, দুয়া মাসুরা পড়ে তাকবীর দিয়ে পর পর দুটি সিজদাহ দিয়ে সালাম ফিরিয়ে সালাত শেষ করতে হবে।”
    বুখারি ও মুসলিম, মিশকাত সালাত অধ্যায় সাহো অনুচ্ছেদ, ১১৮ নাম্বার হাদিস।
    অথবা, “সালাতে কম বেশি যাই হোক, সালামের ফেরানোর আগে বা পরে দুইটি (অতিরিক্ত) সাহু সিজদা দিতে হবে।”
    সহীহ মুসলিম, নাওয়াতুল আওতার ৩/৪১১।

    অর্থাৎ দুইটাই জায়েজ, সালামের আগে বা পরে দুইটা অতিরিক্ত সিজদা দেওয়া।
    সালাম ফেরানোর আগে সিজদা সাহু যেভাবে করবেন: সিজদা সাহু দেওয়া ওয়াজিব হয় এমন কোন ভুল করলে, শেষ বৈঠকে আত্তাহিয়্যাতু, দরুদ, দুয়া মাসুরা পরে ডানে ও বামে দুইদিকে সালাম ফেরাবেন। এরপরে আল্লাহু আকবার বলে দুইটি সিজদা সাহু দেবেন। দুই সিজদার মাঝখানে বা সিজদাতে তাসবিহর পরে দুয়া করতে পারবেন। ২টা অতিরিক্ত সিজদা দিয়ে আর কিছু পড়তে হবেনা, আবার ডানে ও বামে দুইদিকেই সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করবেন।

    তবে নামাজে যদি কোনো ফরজ তরক হয়ে যায় তাইলে আবার নতুন করে নামাজ পড়তে হবে। তিনটি কারণে নামাযে সাহু সিজদা দিতে হয়
    ১) নামায বৃদ্ধি হওয়া। যেমন, কোন রুকু, সিজদা বা বসা ইত্যাদি বৃদ্ধি হওয়া।
    ২) কোন রুকন বা ওয়াজিব কম হওয়া।
    ৩) সন্দেহ হওয়া।

    নামায বৃদ্ধি হওয়া:
    যদি নামাযের অন্তর্ভুক্ত এমন কিছু কাজ ভুলবশত বৃদ্ধি করে যেমন: দাঁড়ানো, বসা, রুকু, সিজদা ইত্যাদি- যেমন দু‘বার করে রুকু করা, তিন বার সিজদা করা, অথবা যোহর পাঁচ রাকাত আদায় করা। তবে সাহু সিজদা করবে। নামাজরত অবস্থায় যদি উক্ত বৃদ্ধি স্মরণ হয়- যেমন চার রাকাত শেষ করে পাঁচ রাকাতের জন্য দাঁড়িয়ে গেছে- তবে সে ফিরে আসবে এবং শেষে সিজদায়ে সাহু করবে।

    সালাত পূর্ণ হওয়ার আগেই সালাম ফেরানো:
    নামায পূর্ণ হওয়ার আগেই সালাম ফেরানো নামায বৃদ্ধি করার অন্তর্গত। যদি অনেক পরে এ ভুলের কথা মনে পড়ে তবে নামায পুনরায় ফিরিয়ে পড়বে। আর যদি একটু পরেই (যেমন দু/এক মিনিট) মনে পড়ে, তবে সে অবশিষ্ট নামায পূর্ণ করবে এবং সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে।

    নামাযে রুকন বা ওয়াজিব কম হওয়া।:
    ক) যদি ভুলক্রমে ওয়াজিব পরিত্যাগ হয় আর উক্ত স্থান ছেড়ে যাওয়ার আগেই যদি স্মরণ হয়ে যায় তবে তা আদায় করবে এতে কোন দোষ নেই- সাহু সিজদা দিতে হবে না। কিন্তু যদি উক্ত ওয়াজিব ছেড়ে পরবর্তী রুকন শুরু করার আগেই স্মরণ হয়ে যায় তবে ফিরে গিয়ে সেই ওয়াজিব আদায় করবে এবং শেষে সাহু সিজদা করবে। কিন্তু পরবর্তী রুকন শুরু করার পর যদি স্মরণ হয় তবে উক্ত ছুটে যাওয়া ওয়াজিব রহিত হয়ে যাবে। অবশিষ্ট নামায আদায় করে সালামের পূর্বে সাহু সিজদা করলেই নামায পূর্ণ হয়ে যাবে।

    যেমন কেউ দ্বিতীয় রাকাতের দ্বিতীয় সিজদা থেকে উঠে না বসে তৃতীয় রাকাতের জন্য দাঁড়াতে যাচ্ছে। এমন সময় স্মরণ হল নিজ ভুলের কথা। তখন সে বসে পড়বে এবং তাশাহুদ পড়ে সালাত পূর্ণ করবে। কোন সাহু সিজদা লাগবে না।
    আর যদি কিছুটা দাঁড়ায় কিন্তু পরিপূর্ণরূপে দাঁড়ায়নি তবে সে বসে যাবে এবং তাশাহুদ পড়বে ও সালাত শেষে সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে। কিন্তু যদি পূর্ণরূপে দাঁড়িয়ে পড়ে তবে আর বসবে না। তাশাহুদ রহিত হয়ে যাবে। ঐভাবেই নামায পূর্ণ করবে এবং সালাম ফিরানোর পূর্বে সাহু সিজদা করবে।

    খ) ফরজ নামাজের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য একটি সুরা মিলানো ওয়াজিব। যদি আপনি ভুল করে ফরজ নামাজের প্রথম ২ রাকাতে সুরা ফাতেহা পড়ার পর অন্য কোনো সুরা না পড়েন, তাহলে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে। আপনি যদি যে কোনো সুন্নাত/নফল নামাজের যে কোনো রাকাতে সুরা ফাতেহা বা সুরা ফাতেহার পর অন্য একটি সুরা না পড়েন তাহলে আপনাকে সিজদায়ে সাহু দিতে হবে।

    সন্দেহ হওয়া:
    নামাযের মধ্যে সন্দেহের দু‘টি অবস্থা: প্রথম অবস্থা: সন্দেহযুক্ত দু‘টি বিষয়ের মধ্যে যেটির প্রাধান্য পাবে সে অনুযায়ী কাজ করবে এবং নামায পূর্ণ করে সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে।
    উদাহরণ: একজন লোক যোহরের নামায আদায় করছে। কিন্তু সন্দেহ হল এখন সে কি দ্বিতীয় রাকাতে না তৃতীয় রাকাতে? এ সময় সে অনুমান করে স্থির করবে কোনটা ঠিক। যদি অনুমান প্রাধান্য পায় যে এটা তৃতীয় রাকাত, তবে তা তৃতীয় রাকাত গণ্য করে নামায পূর্ণ করবে এবং সালাম ফেরানোর পর সাহু সিজদা করবে।

    দ্বিতীয় অবস্থা: সন্দেহযুক্ত দু‘টি দিকের কোনটাই প্রাধান্য পায় না। এ অবস্থায় নিশ্চিত দিকটির উপর ভিত্তি করবে। অর্থাৎ কম সংখ্যাটি নির্ধারণ করে বাকী নামায পূর্ণ করবে। তারপর সাহু সিজদা করে সালাম ফিরাবে।
    একই নামাজে সিজদায়ে সাহু করার একাধিক কারণ পাওয়া গেলেও একটি সিজদায়ে সাহু করলেই হবে।

    See less
    • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  3. Asked: April 23, 2022In: Others

    ক্বাজা নামাজ পড়ার বিষয়ে

    Anonymous
    Added an answer on April 23, 2022 at 12:21 pm

    ভুলবশত কিংবা অন্য কোনো বিশেষ কারণে কোনো ওয়াক্তের নামাজ আদায় করতে না পারলে এই নামাজ পরবর্তীতে আদায় করাকে কাজা নামাজ বলা হয়। ফরজ কিংবা ওয়াজিব নামাজ ছুটে গেলে তার কাজা আদায় করা আবশ্যক। সুন্নত কিংবা নফল নামাজ আদায় করা না গেলে কাজা আদায় করতে হয় না। কেউ যদি কাজা নামাজ আদায় না করে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং রোগে মRead more

    ভুলবশত কিংবা অন্য কোনো বিশেষ কারণে কোনো ওয়াক্তের নামাজ আদায় করতে না পারলে এই নামাজ পরবর্তীতে আদায় করাকে কাজা নামাজ বলা হয়। ফরজ কিংবা ওয়াজিব নামাজ ছুটে গেলে তার কাজা আদায় করা আবশ্যক।

    সুন্নত কিংবা নফল নামাজ আদায় করা না গেলে কাজা আদায় করতে হয় না।

    কেউ যদি কাজা নামাজ আদায় না করে অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং রোগে মারা যায় আর অসুস্থাবস্থায় লোকটি ওয়ারিশদের তার পক্ষ থেকে কাজা নামাজের ফিদইয়া (মূল্য) দেয়ার কথা বলে যায় এমতাবস্থায় তার ওয়ারিশদের ওপর ফিদইয়া দেয়া ওয়াজিব। এমন অনেক লোক রয়েছে, যাদের জিম্মায় অনেক কাজা নামাজ রয়েছে। তাদের উচিত এসব নামাজ দ্রুত আদায় করে নেয়া।

    কাজা নামাজ আদায় করার সময় এ নিয়ত করতে হবে আমি অমুক দিনের অমুক ওয়াক্তের নামাজ কাজা আদায় করছি। আর যদি দিন-তারিখ মনে না থাকে, এমতাবস্থায় এভাবে নিয়ত করতে হবে আমি আমার জীবনের সর্বপ্রথম জোহর নামাজের কাজা আদায় করছি। এভাবে প্রত্যেক ওয়াক্ত কাজা নামাজ আদায় করার সময় নিয়ত করতে হবে। আর ততদিন পর্যন্ত কাজা নামাজ আদায় করতে থাকবে, যতক্ষণ না ওই ব্যক্তির মন এ সাক্ষ্য দেবে যে, তার জিম্মায় কোনো নামাজ কাজা নেই।

    কাজা নামাজ আদায়ের ক্ষেত্রে সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি হলো প্রত্যেক নামাজের সময় একাধিক ওয়াক্তের কাজা আদায় করে নেয়া। যেমন কোনো ব্যক্তি আসরের নামাজের আজানের পর সেদিনকার ফরজ নামাজ পড়ার আগে কাজা আসরের নামাজ আদায় করল পরে সেদিনকার নামাজ পড়ল। এভাবে কাজা নামাজ আদায় করতে করতে একসময় যখন মনে হবে তার আর কোনো নামাজ কাজা নেই, তখন কাজা নামাজ পড়া বাদ দিয়ে নফল নামাজের মনোযোগী হবে।

    যে ব্যক্তির জিম্মায় কাজা নামাজ রয়েছে, তার জন্য উত্তম হলো নফল নামাজের পরিবর্তে কাজা নামাজ আদায় করা। কেননা সে কাজা নামাজ সম্পর্কে কিয়ামতের দিন প্রশ্নের মুখে পড়বে, নফল নামাজ সম্পর্কে নয়। কাজা নামাজ আদায় করার সময় সূরা কেরাত পাঠ করার ক্ষেত্রে মূল নামাজের অনুকরণ করতে হবে। যদি সফরের সময় কারো কসর নামাজ কাজা হয়ে থাকে, তবে বাড়িতে ফেরার পরে তার কাজা কসরই আদায় করতে হবে অর্থাৎ চার রাকাতের জায়গায় দুই রাকাত আদায় করতে হবে। তেমনি ঘরে কাজা হওয়া নামাজ যদি কেউ সফরে গিয়ে আদায় করে তবে পূর্ণ নামাজ পড়তে হবে।

    See less
    • 8
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  4. Asked: April 20, 2022In: Basic Islam

    ফরজ গোসলের পর অযু ?

    Ahmed Tanvir
    Added an answer on April 23, 2022 at 12:21 pm

    আমরা জানি অজুতে চার ফরজ ১। সমস্ত মুখ ভালভাবে ধৌত করা। ২। দুই হাতের কনুইসহ ভালভাবে ধৌত করা। ৩। মাথা চার ভাগের এক ভাগ মাসেহ্ করা। ৪। দুই পায়ের টাকনুসহ ধৌত করা। আবার গোসলে ফরজ ৩ টি ১. একবার কুলি করা ফরজ। ২. একবার নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছিয়ে পরিস্কার করা ফরজ। ৩. সমস্ত শরীরে পানি পৌঁছানো ফরজ।Read more

    আমরা জানি অজুতে চার ফরজ

    ১। সমস্ত মুখ ভালভাবে ধৌত করা।

    ২। দুই হাতের কনুইসহ ভালভাবে ধৌত করা।

    ৩। মাথা চার ভাগের এক ভাগ মাসেহ্ করা।

    ৪। দুই পায়ের টাকনুসহ ধৌত করা।

    আবার গোসলে ফরজ ৩ টি

    ১. একবার কুলি করা ফরজ।

    ২. একবার নাকের নরম জায়গা পর্যন্ত পানি পৌঁছিয়ে পরিস্কার করা ফরজ।

    ৩. সমস্ত শরীরে পানি পৌঁছানো ফরজ।

    তাহলে আমরা যদি গোসলের ফরজ অনুযায়ী গোসল করি তাহলে এর মধ্যে কিন্তু আমাদের অজুর ফরজ গুলোও আদায় হয়ে যাচ্ছে,

    অতএব গোসলের আগে কিংবা পরে অজু করার প্রয়োজন নেই ?

    ধন্যবাদ

    See less
    • 2
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  5. Sorry it is a private answer.

  6. Asked: April 21, 2022In: Basic Islam

    তাহাজ্জুদ

    Anonymous
    Added an answer on April 21, 2022 at 6:16 pm

    স্বামী-স্ত্রী এক সাথে নফল নামাজ জামাতে পড়া নিষেধ নয়। তবে স্ত্রী স্বামীর বরাবর হয়ে দাঁড়াবে না বরং একটু পিছনে দাঁড়াবে। আর রাতের নফল নামাযে অন্তত এই পরিমাণ উচ্চস্বরে পড়া উত্তম, যাতে নিজে স্পষ্ট শুনতে পায়। হাসান বসরী রহ. বলেন, صَلَاةُ النَّهَارِ عَجْمَاءُ، وَصَلَاةُ اللَّيْلِ تُسْمِعُ أُذُنَيْكَ দিনRead more

    স্বামী-স্ত্রী এক সাথে নফল নামাজ জামাতে পড়া নিষেধ নয়। তবে স্ত্রী স্বামীর বরাবর হয়ে দাঁড়াবে না বরং একটু পিছনে দাঁড়াবে।

    আর রাতের নফল নামাযে অন্তত এই পরিমাণ উচ্চস্বরে পড়া উত্তম, যাতে নিজে স্পষ্ট শুনতে পায়। হাসান বসরী রহ. বলেন,

    صَلَاةُ النَّهَارِ عَجْمَاءُ، وَصَلَاةُ اللَّيْلِ تُسْمِعُ أُذُنَيْكَ

    দিনের নামায নিম্নস্বরের এবং রাতের নামায তোমার কানকে শুনাবে। (মুসান্নাফে ইবনে আবী শাইবা: ৩৬৬৪)

    সুতরাং মনোযোগ বৃদ্ধির জন্য আপনি রাতের তাহাজ্জুদ/বিতিরে উচ্চস্বরে কেরাত পড়তে পারেন। বরং এটাই উত্তম।

    والله اعلم بالصواب
    উত্তর দিয়েছেন
    শায়েখ উমায়ের কোব্বাদী

    See less
    • 11
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
  7. Asked: April 14, 2022In: Basic Islam

    আসসালমুআলাইকুম, যাকাত নিয়ে ২টা প্রশ্ন

    Anonymous
    Added an answer on April 21, 2022 at 6:14 pm

    যাদের জাকাত দেয়া যাবে - পবিত্র কোরআনে যাকাতের খাত নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এসব খাত ছাড়া অন্য কোথাও জাকাত প্রদান করা জায়েজ নয়। ইরশাদ হয়েছে- জাকাত তো কেবল নিঃস্ব, অভাবগ্রস্ত ও যাকাতের কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য, যাদের মনোরঞ্জন উদ্দেশ্য তাদের জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে জিহাদRead more

    যাদের জাকাত দেয়া যাবে –

    পবিত্র কোরআনে যাকাতের খাত নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে। এসব খাত ছাড়া অন্য কোথাও জাকাত প্রদান করা জায়েজ নয়।

    ইরশাদ হয়েছে- জাকাত তো কেবল নিঃস্ব, অভাবগ্রস্ত ও যাকাতের কাজে নিযুক্ত ব্যক্তিদের জন্য, যাদের মনোরঞ্জন উদ্দেশ্য তাদের জন্য, দাসমুক্তির জন্য, ঋণগ্রস্তদের জন্য, আল্লাহর পথে জিহাদকারী ও মুসাফিরের জন্য। এটি আল্লাহর বিধান। আল্লাহ সর্বজ্ঞ, প্রজ্ঞাময়। (সুরা তাওবা : ৬০)

    যে ব্যক্তির কাছে কোনো সম্পত্তি নেই অথবা নিসাবের সমমূল্যের প্রয়োজন অতিরিক্ত কোনো সম্পত্তিও নেই, এমন লোক শরিয়তের দৃষ্টিতে মিসকিন বা গরিব। তাকে জাকাত দেয়া যাবে। যে ব্যক্তি এমন ঋণগ্রস্ত যে, ঋণ পরিশোধ করার পর তার কাছে জাকাতযোগ্য বা ফিতরাযোগ্য কোনো সম্পদ নিসাব পরিমাণ থাকে না, তাকে জাকাত দেওয়া যাবে। (ফাতাওয়া হিন্দিয়া)

    আপনার প্রশ্নের উত্তর –

    • যেহেতু ঝণগ্রস্থ তাই তাকে যাকাত দেওয়া যাবে।
    • বিধবা বোন যদি অভাবগ্রস্থ হয় তাহলে তাকে বাড়ী কিনতে আপনি যাকাত এর টাকা দিয়ে শামিল হতে পারবেন।
    See less
    • 1
    • Share
      Share
      • Share on Facebook
      • Share on Twitter
      • Share on LinkedIn
      • Share on WhatsApp
      • Report
Load More Answers

Sidebar

Ask A Question

Stats

  • Questions 165
  • Answers 392
  • Best Answers 22
  • Users 223
  • Popular
  • Answers
  • Anonymous

    Marriage to non Muslim

    • 27 Answers
  • Ahmad Ukasha

    Relationship .

    • 11 Answers
  • Anonymous

    New muslimah

    • 10 Answers
  • user-599599
    user-599599 added an answer awesome October 4, 2025 at 11:40 pm
  • user-076930
    user-076930 added an answer awesome September 28, 2025 at 10:28 pm
  • user-728837
    user-728837 added an answer awesome September 24, 2025 at 9:47 pm

Top Members

Admin

Admin

  • 0 Questions
  • 172 Points
Explainer
Sharifa Yasmin

Sharifa Yasmin

  • 1 Question
  • 47 Points
Begginer
Ahmad Ukasha

Ahmad Ukasha

  • 1 Question
  • 34 Points
Begginer

Trending Tags

#marriage #islamicmarriage @everyone anxiety therapist anxiety therapist in palm beach anxiety treatment west palm beach asr basic islam bio biye commercial gazebos conversion convert depression therapist in palm beach depression therapist palm beach doa dua basic dog family therapy west palm beach fleet gps tracking device fleet gps tracking solutions fleet telematics solutions folding gazebo friends gps fleet tracking gps fleet tracking australia gps fleet tracking in california gps fleet tracking in los angeles gps tracking for trucks gps tracking device in california gps tracking devices gps tracking subscription gps tracking sydney gps vehicle fleet tracking hajj haram relation islam jakat life style managed it services sydney managed it support sydney mental health therapist in palm beach nahid namaj namaz nhvr electronic work diary pergola kits australia prayer preparation printed gazebo canopies qiblah ques question question dua beneficial sufficient questions quran surah maidha ramdan salah salam tawba therapist in west palm beach therapists in palm beach county therapist west palm beach fl vehicle tracking systems australia web design services in sydney web development sydney website development australia west palm beach therapist what is the fate of men who doesn't care for his wife and children? অযু আকীকা ঋতু ওযু কালো যাদু কুরবানি কুরবানী ক্বাযা নামাজ গোসল জামাতে নামাজ জুম্মা তওবা তারাবি তাহাজ্জুদ তাহারাত দোয়া নামজ নামাজ নামায পবিত্রতা ফরজ গোসল ফিতরা বিয়ে মহিলা মুক্তি মোনাজাত যাদু রোজা শীরক সাদকা সালাত সুন্নাত নামায হাদিসের ব্যাখা হারাম সম্পর্ক

© 2024 Deen-Islamic App. All Rights Reserved

Insert/edit link

Enter the destination URL

Or link to existing content

    No search term specified. Showing recent items. Search or use up and down arrow keys to select an item.